সর্বশেষ

Saturday, 17 January 2026

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জামায়াত সম্পর্কে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্রের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জামায়াত সম্পর্কে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্রের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর

 


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সব সময় রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আচরণ করে থাকে। কারো সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ আমরা করি না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একটি সংগঠনের নেত্রীর বরাত দিয়ে বাংলাদেশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।


শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার-সহকারী মুজিবুল আলমের পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আজ জুমআ বার বিকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান সম্প্রতি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একটি সংগঠনের দায়িত্বশীল নেত্রীর বরাত দিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সঠিক নয়।


এব্যাপারে আমাদের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং চলাকালেই তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।


গাজী আতাউর রহমান ‘আল্লাহর আইন ও ইসলামী আদর্শ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন দিকে চলে গেছে’ বলে যে মন্তব্য করেছেন, তাও সঠিক নয়। আমরা মনে করি, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সা. এর আদর্শের আলোকে পরিচালিত একটি ইসলামী সংগঠন।


জনাব গাজী আতাউর রহমানের আরেক অভিযোগের প্রেক্ষিতে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সব সময় রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আচরণ করে থাকে। কারো সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ আমরা করি না।


জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এমন বক্তব্য প্রদান করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি জনাব গাজী আতাউর রহমানের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”


Saturday, 22 November 2025

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় আন্ত:জেলা  ট্রান্সমিটার চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক।

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় আন্ত:জেলা ট্রান্সমিটার চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক।

 আটকৃতরা হলো সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চরিয়া শিকার মধ্যেপাড়া এলাকার দেলবার হোসেনের ছেলে মূল হোতা মোঃ বাকিরুল ইসলাম রাকিব (৩২) ও দিয়ার পাড়া গোজা এলাকার মোঃ আতাব উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (২৫),..

 




মনিরুল ইসলাম ( সলঙ্গা সিরাজগঞ্জ)  



সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চোর চক্রের ৪ সদস্যকে ট্রান্সমিটারের কয়েল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামসহ আটক করেছে সলঙ্গা থানা পুলিশ। 


২১ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে সলঙ্গা থানার এসআই(নিরস্ত্র) ব্রজেস্বর এর নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) মো: শরিফুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ পুলিশের একটি অভিযানিক দল সলঙ্গা থানার মামলা নং-১৬, তারিখ-২১/১১/২৫ খ্রি: জিআর মামলা-২৭৩ এর সুত্র ধরে হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চরিয়া শিকার মধ্যপাড়া ( সিআরবিসি) এলাকায় চক্রের মূল হোতা বাকিরুল ইসলাম রাকিব এর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের কে আটক করে। 

আটককৃতদের কাছ থেকে এসময় ট্রান্সমিটারের ২৫ কেজি কাটা কয়েল, চুরির কাজে ব্যাবহৃত ১টি ভেল্ড কাটার , ২ টি গেন নিং মেশিন, ১ টি বগারেন্জ, ১ টি হ্যাক্স ফ্রেম, ৬টি হ্যাক্সা ব্লেড, ১টি অটো রেন্জ, ও ১টি পুলি ও একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়। 


আটকৃতরা হলো সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চরিয়া শিকার মধ্যেপাড়া এলাকার দেলবার হোসেনের ছেলে মূল হোতা মোঃ বাকিরুল ইসলাম রাকিব (৩২) ও দিয়ার পাড়া গোজা এলাকার মোঃ আতাব উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (২৫), চরিয়া শিকার দক্ষিণ পাড়া এলাকার মোঃ আব্দুল কাদের আলী মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান (২৭) ও চরিয়া কালিবাড়ি এলাকার মোঃ আব্দুর রহমানের ছেলে মোঃ রন্জিত হোসেন (২৩)। 


সলঙ্গা থানার এসআই (নিরস্ত্র) ব্রজেস্বর বর্মন জানান, গত ১৪ ই নভেম্বর সলঙ্গা থানার বেতুয়া গ্রাম থেকে গভীর নলকুপের ড্রেন মাস্টার শাহ আলম এর হাত পা বেঁধে রাতে তিনটি ট্রান্সফরমার নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। 

সকালে কৃষকরা কাজের জন্য মাঠে এলে নলকুপের ঘরের ভিতর থেকে শাহ আলম এর ডাক চিৎকার শুনে তাকে বদ্ধঘর থেকে উদ্ধার করে এবং ঘরের পাশে ট্রান্সফরমারের খোলস দেখতে পায়।

উল্লেখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে জনৈক আলহাজ্ব মোঃ ইয়াসিন আলী (৬৫), পিতা মৃত গহের আলী, সাং-বেতুয়া, থানা- সলঙ্গা, জেলা- সিরাজগঞ্জ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এরই সূত্রধরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চক্রের মূল হোতা বাকিরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে কিছু ট্রান্সমিটার কয়েল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরাঞ্জামসহ তাদের আটক করতে সক্ষম হন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। 


জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত এই চক্রটি সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সিএনজি যোগে বিভিন্ন এলাকায় গ্রামের অসহায় কৃষকদের সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার চুরি করে আসছিল। 

চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে এ সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।

Saturday, 3 May 2025

ফেইসবুকে সম্পর্ক, দেখা করতে এসে যা হল, আটক ২

ফেইসবুকে সম্পর্ক, দেখা করতে এসে যা হল, আটক ২



 নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ফেইসবুকের মাধ্যমে সম্পর্কের সুবাদে এক নারীর ডাকে সারা দিতে এসে ব্লাকমেইলিংয়ের শিকার হয়েছেন কলেজ ছাত্র আল আমিন (২২)।

তাকে আটক করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছে ব্লাকমেইলিং চক্রের ২ সদস্য।

এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে কলেজ ছাত্র আল আমিনকে। তবে এখনো অধরা ব্লাকমেইলিং চক্রের মূলহোতা মিঠু (৩৮), নিঝুম (২০) ও দিপা মন্ডল।

বৃহস্পতিবার (১ মে) রাতে ফতুল্লার লালখাঁ এলাকাস্থ পিটিআই ভবনের সামনে একটি টিন বাসা থেকে তাদের আটক করে এবং কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত হলো ফতুল্লার লালখাঁ এলাকার সোহরাব মিয়ার ছেলে মোস্তফা (৩৫) ও একই এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে আল আমিন। আর পলাতক রয়েছে জয়নাল ওরফে জনু মিয়ার ছেলে মিঠু একই এলাকার নিঝুম ও দিপা মন্ডল।

এঘটনায় পোস্তগোলা রাজাবাড়ী এলাকার সোহরাব মোল্লার ছেলে কলেজ ছাত্র আল আমিনের বড় ভাই ইসমাঈল মোল্লা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, পোস্তগোলা রাজাবাড়ী এলাকার কলেজ ছাত্র আল আমিনের সঙ্গে নিঝুমের ফেইসবুকে পরিচয় হয় এবং সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সম্পর্কের সুবাদে নিঝুমের ডাকে সারা দিতে ঢাকা হতে ফতুল্লায় আসে।

পরে আল আমিনকে ডেকে এনে নিঝুমসহ অন্য আসামীরা মিলে তাকে ফতুল্লার লালখাঁ পিটিআই ভবনের সামনে একটি টিন বাসায় এনে আটক করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। পরে আল আমিন বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে ৯৯৯ ফোন দেয়। পরে মুক্তিপণের টাকা দেয়ার কথা বলে পুলিশ ফোন করলে মিঠুর কথামত ২ জনকে পাঠালে পুলিশের জালে আটক হয় ২ সদস্য। কিন্তু মুলহোতা মিঠু, নিঝুম এবং দিপা রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ব্লাকমেইলিং চক্রের ২ সদস্য আটক করা হয়েছে। মুলহোতা মিঠুসহ বাকীদের আটকের চেষ্টা চলছে।